Interior

01

ঘর নয়, গড়ে তুলুন স্বপ্নের ঠিকানা"

গৃহনির্মাণের পূর্ণ নির্দেশিকা

সিমেন্ট ভালো নাকি খারাপ এর বিবরন:

সহজেই চিনুন সিমেন্টের ভালো খারাপ,সিমেন্ট এক ধরণের বাইন্ডিং ম্যাটেরিয়াল যা পানির সংমিশ্রণে কংক্রিট, মর্টার বা মসলা, প্লাস্টার ইত্যাদি বিভিন্ন কাজে বালি এবং খোঁয়ার সংযোগ ঘটায়।

সিমেন্টের ধরণ :
BDS EN 197-1:2003 স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী সিমেন্ট মূলত ৫ (পাঁচ) ধরণের হয়ে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশে আমরা সচরাচর ৩ (তিন) ধরণের সিমেন্ট পেয়ে থাকি।

01.সাধারণ পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট (Ordinary Portland Cement – CEM I)
02.পোর্টল্যান্ড কম্পোজিট সিমেন্ট (Portland Composite Cement – CEM II)
03.ব্লাস্ট ফার্নেস সিমেন্ট (Blast Furnace Cement – CEM
এছাড়াও এক্সপোর্টের জন্য ফ্লাই অ্যাশ সিমেন্ট এবং সৌন্দর্য্য বর্ধন কাজের জন্য হোয়াইট সিমেন্ট বাংলাদেশে পাওয়া যায়।
বাড়ি নির্মাণের জন্য কি ধরণের সিমেন্ট দরকার?
ল্যাবরেটরীতে পরীক্ষণের মাধ্যমে সিমেন্টের ন্যূনতম শক্তি ২৮ দিনে যদি৩৬২০psi (PCC) , ৪০৬০ psi (OPC) পাওয়া যায় তাহলে সেই সিমেন্ট বাড়ি নির্মাণের কাজে ব্যবহার করা যাবে।ভাল সিমেন্ট চিনতে ল্যাবরেটরি পরীক্ষার পাশাপাশি কিছু হাতে-কলমে পরীক্ষাও আছে, নিম্নে কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করা হলো যেগুলোর মাধ্যমে আপনি সরাসরিই সিমেন্ট ভালো-খারাপ বুঝতে পারবেন।
ক) ভাল মানের সিমেন্টের ব্যাগে হাত প্রবেশ করালে ঠাণ্ডা অনুভূত হবে। কিন্তু বর্তমানে সিমেন্ট ফ্যাক্টরিতে সিমেন্ট প্রস্তুতের পরপরই সরবরাহ করা হয় বলে সিমেন্টের ব্যাগ গরম থাকে।

খ) এক মুঠো সিমেন্ট হাতে নেয়ার পর হাতের তালুতে একটি স্তুপ তৈরি করা হলে যদি তা অপরিবর্তিত থাকে তবে তা ভাল সিমেন্ট।

গ) এক মুঠো সিমেন্ট নিয়ে পানিতে ফেললে তা যদি সাথে সাথে পানিতে তলিয়ে যায় এবং কোন অংশ পানিতে ভেসে না থাকে তবে বুঝতে হবে ঐ সিমেন্ট ভাল মানের।

ঘ) ভাল মানের সিমেন্ট হাতের মধ্যে নিয়ে মুষ্টি বন্ধ করে পানির ট্যাপের নিচে ধরলে অথবা কিছু পানি মুষ্টির উপর ঢাললে যাতে করে মুঠোর ফাঁক দিয়ে পানি প্রবেশ করে সিমেন্ট ভিজতে পারে তখন হাতের ভেতর তাপমাত্রা বাড়ছে বলে অনুভূত হবে।

ঙ) দু-আংগুলের মাঝে সিমেন্ট নিয়ে ঘর্ষণ করলে যদি রেশমের মত মসৃণ অনুভূত হয় তাহলে ঐ সিমেন্ট ভাল বলে গণ্য হবে।

গাথুনি ও প্লাস্টার এর হিসাব :

গাথুনী এবং প্লাস্টারের হিসাব ১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে। ০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।

গাথুনী এর প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়। নিচের ছলিং এ প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়। ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়।সিএফটি অর্থাৎ ঘনফুট। এসএফটি অর্থাৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে।কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়। ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে।

( ১০” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়। ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ওজন ১৯২০ কেজি।১ ব্যাগ সিমেন্টে পানি লাগে ২১ লিটার।১০০ এস,এফ,টি প্লাষ্টারে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ। গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়। সিলিং প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়।প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে = ০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।মসলা ছাড়া ১ টি ইটের মাপ = (৯ ১/২”*৪ ১/২”*২ ৩/৪”) মসলাসহ = (১০”*৫”৩”)10 mm =1 cm 100 cm = 1 m (মিটার)Convert 1″ = 25.4 mm 1″ = 2.54 cm 39.37″ = 1 m 12″ = 1′ Fit 3′ = 1 Yard (গজ) 1 Yard = 36″ 72 Fit = 1 bandil.

রডের পরিমান নির্ণয় করার পদ্ধতি

10 mm = 0.616 kg/m = 3 suta 12 mm = 0.888 kg/m = 4 suta 16 mm = 1.579 kg/m = 5 suta 20 mm = 2.466 kg/m = 6 suta 22 mm = 2.983 kg/m = 7 suta 25 mm = 3.854 kg/m = 8 suta রডের ওজন ৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।

১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি। ১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি। ১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি। ২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি। ২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি। ২৫ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন =১.১৭৪৭ কেজি।

উপরে যে কনভার্ট সিস্টেম দেয়া হয়েছে, এর প্রতিটি যদি আপনার জানা থাকে তাহলে বাস্তবে কাজ করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে।যেমন, ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেমে রডের আন্তর্জাতিক হিসাব করা হয় kg/m এ।

আবার বাংলাদেশে সাধারন লেবারদের সাথে কাজ করার সময় এই হিসাব জানা একান্তই জরুরী এছাড়া ও নিম্নোক্ত বিষয় টিও জেনে রাখুন:

8 mm -7 feet -1 kg 10 mm -5 feet -1 kg 12 mm -3.75 feet – 1 kg 16 mm -2.15feet -1kg 20 mm -1.80feet -1kg 22mm -1.1feet -1kg রডের মাপ ফিট মেপে kg বের করা হয় ……… এই সুত্রটি মনে রাখুন ( রডের ডায়া^2 / 531,36 )

যেকোনো ডায়া রডের এক ফিটের ওজন বাহির হবে . এখনে অবশ্যই রডের ডায়া মিলি মিটারে উল্লেখ করতে হবে। খোয়ার হিসাব * ১ টি ইটে = ০.১১ cft খোয়া হয়। * ১০০ টি ইটে = ১১ cft খোয়া হয়। * ১০০০ টি ইটে = ১১১.১১ cft খোয়া হয়। বালির হিসাব * ১০৯ ফিট = ১২.২৫cft, * ১০০ sft ৫” গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ। * ১০০ sft ১০” গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ৪ ব্যাগ। বালু লাগে ২৪ cft।

ঢ়ালাই এর হিসাব * ১০০ cft ঢ়ালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে সিমেন্ট ১৭ ব্যাগ, বালু ৪৩ cft, খোয়া ৮৬ cft লাগে। * ১ cft ঢ়ালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে সিমেন্ট ০.১৭, বালু ০.৪৩ cft, খোয়া ০.৮৬ cft লাগে।

Interior Image Gallary